ডিজিটাল বিপ্লব: দেশের ৯০ শতাংশ মানুষের কাছে ৫-জি পৌঁছে দিতে চায় সরকার
স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আরও একধাপ এগিয়ে যাওয়ার বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষের দোরগোড়ায় উচ্চগতির ৫-জি (5G) ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই যুগান্তকারী মেগা পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।
১. কেন এই ৫-জি নেটওয়ার্কের মেগা পরিকল্পনা?
চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং দেশের ফ্রিল্যান্সিং, আউটসোর্সিং ও ই-কমার্স খাতকে আরও শক্তিশালী করতে উচ্চগতির ইন্টারনেটের কোনো বিকল্প নেই। ৪-জি নেটওয়ার্কের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ৫-জি প্রযুক্তি চালুর মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতে এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন আসবে। সরকার চাইছে শহরের পাশাপাশি গ্রামের সাধারণ মানুষও যেন এই আল্ট্রা-ফাস্ট ইন্টারনেটের সুবিধা নির্বিঘ্নে উপভোগ করতে পারে।
২. বাস্তবায়নে মূল চ্যালেঞ্জ ও অবকাঠামো উন্নয়ন
দেশের ৯০ শতাংশ মানুষের কাছে ৫-জি সেবা পৌঁছে দেওয়া নিঃসন্দেহে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এর জন্য প্রয়োজন দেশব্যাপী ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবল নেটওয়ার্কের সম্প্রসারণ এবং নতুন ৫-জি টাওয়ার বা বেস স্টেশন স্থাপন। মোবাইল অপারেটরগুলোর সাথে সমন্বয় করে তরঙ্গ (স্পেকট্রাম) বরাদ্দ এবং সাশ্রয়ী মূল্যে সাধারণ মানুষের কাছে ৫-জি ডিভাইস বা স্মার্টফোন সহজলভ্য করার ওপর জোর দিচ্ছে সরকার।
"গ্রামাঞ্চলেও যদি ৫-জি নিশ্চিত করা যায়, তবে ফ্রিল্যান্সিং ও অনলাইন ব্যবসার মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতির চিত্র পুরোপুরি বদলে যাবে।"
৩. সাধারণ মানুষ ও তরুণ প্রজন্মের প্রতিক্রিয়া
সরকার এই মেগা প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপান্তর পূর্ণতা পাবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরাও ইন্টারনেটের মাধ্যমে বৈশ্বিক শিক্ষার সুযোগ পাবে, যা দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে এক বিশাল মাইলফলক হয়ে থাকবে।
